একটি ব্রীজের অভাবে ৭ লক্ষ লোকের ভোগান্তি

একটি ব্রীজের অভাবে ৭ লক্ষ লোকের ভোগান্তি

কুড়িগ্রাম, রংপুর 0 Comment

নিজস্ব প্রতিবেদক : একটি ব্রীজের অভাবে রংপুরের সাথে কুড়িগ্রামের ৪ উপজেলার ৭ লক্ষ লোকের ভোগান্তির শেষ নেই। কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের পানিয়াল ঘাটে তিস্তা নদীর উপর একটি ব্রীজ হলে দুঃখ, দুদর্শা দুর হবে ৭ লক্ষ লোকের।
খোজ নিয়ে জানা যায় একসময় তিস্তা নদী বড় থাকায় উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী, রাজিবপুরের লোকজন পানিয়াল ঘাটে এসে খেয়া পারাপারের মাধ্যমে রংপুরের সাথে যাতায়াত করত। চিকিৎসা, শিক্ষা, চাকুরী সহ সকল যাতায়াতের পথ ছিল এই পানিয়াল ঘাট। সেসময় পানিয়াট ঘাট ছিল রংপুরের সাথে চিলমারী বন্দর ব্যবসায়ীদের একমাত্র পথ। এ ঘাট দিয়েই উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী, রাজিবপুরের ব্যবসায়ীরা সকল পণ্য আনা নেয়া করত। বর্তমানে তিস্তা নদী ছোট হয়ে যাওয়ায় এ পথের যাতায়াত বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
কালের বিবর্তনে কুড়িগ্রামের ৪ উপজেলার মানুষ সড়ক পথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। সড়ক পথে যোগাযোগ করলেও জনগণের ভোগান্তি, সময়, খরচ সবই বেড়েছে। বিশেষ করে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রৌমারী, রাজিবপুরের মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। এ দুই উপজেলার লোকজন কোন প্রয়োজনে রংপুরে আসতে পুরো দিনই চলে যায়।
বর্তমানে রংপুর বিভাগীয় শহর হওয়ায় রৌমারী, রাজিবপুর, চিলমারী, উলিপুরের চাকুরীজীবিদের রংপুরে যাতায়ত বেড়েছে। সে সাথে প্রতিদিনই চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা, কৃষি, সহ বিভিন্ন কাজে ওই অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক লোক বিভাগীয় শহর রংপুরে আসছেন।
সরেজমিনে দেখা যায় রৌমারী, রাজিবপুরের লোকজন রংপুরে আসতে সকাল ১০টায় ৩ঘন্টার নৌকায় ব্রক্ষ্মপুত্র নদ পাড়ী দিয়ে আসে চিলমারীতে। চিলমারী থেকে উলিপুর, কুড়িগ্রাম হয়ে সড়ক পথে ৮৩ কিলোমিটার রংপুরে আসতে সময় লাগে সাড়ে ৩ ঘন্টা। ভিন্ন পথে চিলমারী থেকে উলিপুর-নাজিম খাঁ-রাজারহাট হয়ে রংপুরের দুরত্ব ৭৩ কিলোমিটারে সময় লাগে ৩ ঘন্টা। সেখানে পানিয়াল ঘাটে একটি ব্রীজ হলে চিলমারী থেকে উলিপুর-থেতরাই বাজার-পানিয়াল ঘাট-পাওটানা হাট (রংপুর) হয়ে রংপুর নগরীর দুরত্ব ৪০ কিলোমিটারে সময় লাগবে ১ ঘন্টা। এতে করে ওই অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক লোকজনের ভোগান্তি, সময়, ব্যয় কমবে।
এ বিষয়ে পাওটানা হাট এলাকার বাসিন্দা ব্যাংক কর্মকর্তা মজিবর রহমান জানান পানিয়াল ঘাটকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামের ৪ উপজেলার মানুষের সকলকাজে সাথে রংপুরের এক সময় যাতায়াত ছিল ব্যবস্তার। কিন্তু তিস্তা নদী ছোট হয়ে যাওয়ায় তা অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। পানিয়াল ঘাটে তিস্তা নদীর উপর একটি ব্রীজ ওই অঞ্চলের মানুষের প্রানের দাবি উল্লেখ করে তিনি জানান ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী এই ৩ উপজেলার লোকদের সাথে লালমনিরহাট জেলার সাথে যোগাযোগ সুবিধার জন্য ধরলা নদীর কুলা ঘাটে ব্রীজের নির্মান কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন কুলাঘাটের ব্রীজের চেয়ে পানিয়াল ঘাটে ব্রীজের গুরুত্ব আরো বেশি।

Category: Product #: Regular price:$ (Sale ends ) Available from: Condition: Good ! Order now!

Author

Leave a comment

Back to Top

Show Buttons
Hide Buttons